নবম অধিকার: যারা তাদেরকে অপছন্দ ও ঘৃণা করে তাদেরকেও অপছন্দ ও ঘৃণা করা, তাদের মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করা ও তাদের শত্রুতা প্রতিরোধ করা

এটি তাদের প্রতি ভালোবাসার আরেকটি প্রকার ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সত্যবাদী হওয়ার প্রমাণ। রাদিয়াল্লাহু আনহুম।

কবি বলেছেন,

‘আহলে বাইত তথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবার ও সমস্ত সাহাবীগণের থেকে আমরা অপবাদ প্রতিহত করব, তাদের সকলকে ভালোবাসায় আমরা বিশ্বাস করব।’[1]

ইমাম ত্বাহাবী রহ. বলেছেন, ‘আর আমরা তাদেরকে অপছন্দ করব, যারা সাহাবীগণকে অপছন্দ করে এবং অকল্যাণের সাথে তাদেরকে স্মরণ করে।’[2]

এ কথার দলীল হলো নিম্নোক্ত হাদীস। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«أَوْثَقُ عُرَى الْإِيمَانِ الْحَبُّ فِي اللَّهِ وَالْبُغْضُ فِي اللَّهِ».

“ঈমানের সবচেয়ে মজবুত রশি হচ্ছে কাউকে আল্লাহ ওয়াস্তে ভালোবাসা আবার কাউকে আল্লাহর জন্যই ঘৃণা করা।”[3]

নিঃসন্দেহে আল্লাহর জন্য কাউকে ঘৃণা করার সর্বাধিক উপযুক্ত ক্ষেত্র হলো তাদেরকে ঘৃণা করা যারা সাহাবীগণকে অপবাদ দেয়। রাদিয়াল্লাহু আনহুম। অন্যদিকে সাহাবীগণের শত্রুদের প্রতিহত করা, তাদের বিরুদ্ধে আনিত অপবাদের জবাব দেওয়া, তাদের বিরুদ্ধে আনিত দ্বিধা-সংশয়ের নিরসন করা আল্লাহর রাস্তায় সর্বোত্তম জিহাদের অন্যতম।

>
[1] আল-জাওয়াহিরুল ফারীদাহ ফি তাহকীকিল আক্বীদাহ, পৃষ্ঠা ৪৩, পংক্তি ২৩৮।

[2] প্রাগুক্ত।

[3] মু‘জামুল কাবীর, তাবরানী, ১/৩৭২-৩৭৩, হাদীস নং ৬২৪। আলবানী রহ. হাদীসটির অনেক সনদের সমন্বয়ে ‘সিলসিলাতুস সাহীহা’ ২/৬৯৮ তে হাসান বলেছেন, হাদীস নং ৯৯৮।
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে