সালাত/নামাজের সময়সূচি
ঢাকা
  • ঢাকা

    ২৯শে রজব, ১৪৪৭ হিজরী
    (সন্ধ্যা ৫:৩৬ এর পর হিজরী তারিখ পরিবর্তন হবে!)
    ৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
    ১৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ ইং
    সাহরীর শেষ সময়: ভোর ৫:২৪
    ইফতার [সূর্যাস্ত]: সন্ধ্যা ৫:৩৬
  • 🌅 ফজর ভোর: ৫:২৪
  • ☀️ যোহর দুপুর: ১২:১০
  • 🌇 আছর বিকাল: ৩:১৫
  • 🌄 মাগরিব সন্ধ্যা: ৫:৩৬
  • 🌔 এশা রাত: ৬:৫৫
  • 🌤️ সূর্যোদয় সকাল: ৬:৪২
এই মুহূর্তের আয়াত
সুরাঃ আল-কাসাস, আয়াতঃ ৫৩
৫৩. আর যখন তাদের কাছে এটা তেলাওয়াত করা হয় তখন তারা বলে, আমরা এতে ঈমান আনি, নিশ্চয় এটা আমাদের রব হতে আসা সত্য। আমরা তো আগেও আতাসমৰ্পণকারী(১) ছিলাম;

(১) অর্থাৎ আহলে কিতাবের এই আলেমগণ বললঃ আমরা তো কুরআন নাযিল হওয়ার পূর্বেই মুসলিম ছিলাম। এর এক অর্থ, আমরা পূর্ব থেকেই তাওহীদপন্থী ছিলাম। অথবা আমরা এটার উপর ঈমানদার ছিলাম যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাসূল হিসেবে পাঠানো হবে, আর তার উপর কুরআন নাযিল হবে। [কুরতুবী]

এই মুহূর্তের হাদিস
গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস নম্বরঃ ৬০৮৯

৬০৮৯-[৩] সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) খায়বার যুদ্ধের সময় বললেন, আগামীকাল আমি এ পতাকা এমন এক লোকের হাতে প্রদান করব, যার হাতে আল্লাহ তা’আলা (খায়বার দূর্গ) জয় করাবেন, যিনি আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসেন। অতঃপর ভোর হতেই লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর কাছে এসে উপস্থিত হলো। তারা প্রত্যেকেই (মনে মনে) এ আশা পোষণ করছিল যে, পতাকা তাকেই প্রদান করা হবে। কিন্তু নবী (স...

কপিরাইট সম্পর্কে জরুরী দৃষ্টি আকর্ষণ

বাংলা হাদিসের সমস্ত কন্টেন্ট সকলের জন্য উন্মুক্ত, বিশেষত যারা দাওয়াতি কাজ করেন (যেমন: ফেসবুক, ইউটিউব, ব্লগ, আর্টিকেল ইত্যাদি)। কপি-পেস্ট করা যেতে পারে, চাইলে সোর্স উল্লেখ করেও বা ছাড়াও। তবে, আমরা আশা করি আপনারা আমাদের সোর্স উল্লেখ করবেন, কারণ এটি অন্যদের জানার সুযোগ দেবে এবং দাওয়াতি কাজে আগ্রহী হতে উৎসাহিত করবে।

তবে, কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপ আমাদের কন্টেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিক পরিবর্তন/পরিবর্ধন করে **নিজ নামে** ব্লগ, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, কম্পিউটার সফটওয়্যার বা বই প্রিন্ট করতে পারবেন না। ভবিষ্যতে, ইন-শা-আল্লাহ, একটি API সার্ভারের মাধ্যমে সকলের জন্য ডাটা শেয়ার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আমরা ইতোমধ্যে লক্ষ্য করেছি যে অনেকেই আমাদের কন্টেন্ট হুবহু বা আংশিক পরিবর্তন করে বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি করেছেন। দুর্ভাগ্যবশত, এসবের অধিকাংশতেই হারাম বিজ্ঞাপন সংযুক্ত করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে **নিষিদ্ধ**।